মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাসব্যাপী প্রস্তুতি শেষে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে স্মৃতিসৌধের পুরো এলাকা।১০৮ হেক্টর বিস্তৃত স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রংতুলির নতুন ছোঁয়া, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও লাল-সবুজ ফুলে সাজানো হয়েছে বাগানগুলো।
মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাসব্যাপী প্রস্তুতি শেষে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে স্মৃতিসৌধের পুরো এলাকা।১০৮ হেক্টর বিস্তৃত স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রংতুলির নতুন ছোঁয়া, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও লাল-সবুজ ফুলে সাজানো হয়েছে বাগানগুলো। শহিদ বেদী এখন অপেক্ষায় লাখো মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধার।বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় ৩ বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। এরপর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কূটনৈতিক কোরের ডিন এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা জানাবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয়া হবে স্মৃতিসৌধ।
ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের ঢল নামবে স্মৃতিসৌধে। শিশু থেকে প্রবীণ সবাই শহিদদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।গত এক মাস ধরে শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করেছেন। সিঁড়ি ও স্থাপনাগুলোতে নতুন রং করা হয়েছে এবং সড়কগুলো আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে।জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, বিজয় দিবস উপলক্ষে দর্শনার্থীদের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।
লাখো মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক জানান, প্রায় ২৩ কিলোমিটার এলাকায় ১৩টি সেক্টরে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।আমিনবাজার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা চৌকি। গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো পর্যায়ক্রমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে।